Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
ফলতা ও রামনগর তর্পণ ঘাটে পুণ্যার্থীদের পাশে বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা, রাত জেগে সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা   •   মহালয়ার ভোরে জেগে ওঠে বাঙালির হৃদয়: চণ্ডীপাঠ, শিউলির সুবাস আর মা দুর্গার আগমনে নতুন আশার আলো   •   ডারবান টেস্টে প্রোটিয়া পেসারদের দাপট! প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সুবিধাজনক অবস্থানে দক্ষিণ আফ্রিকা   •   নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা! ভারতের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের সিরিজে খেলতে পারবেন না দলের পেসার   •   নদিয়ার রানাঘাট-ধানতলা থেকে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে নানা ধরনের ফুল! ফুল চাষে স্বনির্ভরতার নতুন দিশা কৃষকদের   •   ধানের বদলে শোলা চাষে বাড়তি লাভ! মন্দিরবাজারের কৃষকদের আত্মনির্ভরতার নতুন পথ, পুজোর মরশুমে বাড়ছে চাহিদা

অতিবৃষ্টিতে জলমগ্ন একাধিক জেলা, তিলপাড়া ব্যারাজ থেকে ৪ হাজার কিউসেক জল ছাড়া

06 Aug 2026
09:00 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি ,জেলার বার্তা ডেস্ক : টানা অতিবৃষ্টি ও উজানের বৃষ্টির জেরে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জলস্তর নিয়ন্ত্রণে বীরভূমের তিলপাড়া ব্যারাজ থেকে ৪ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (YouTube)

বীরভূম ও ঝাড়খণ্ডে লাগাতার বৃষ্টির ফলে হিংলো নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীর জল বেড়ে রসা ও গাংপুর গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বীরভূমের সতীঘাটা ব্রিজ জলের তলায় চলে যাওয়ায় যাতায়াতে ব্যাপক সমস্যা তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রবল স্রোতের জেরে শাল নদীর ভাসা ব্রিজ ভেসে গিয়েছে। ফলে নদীর দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে এবং বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

ঝাড়গ্রামেও টানা বর্ষণের প্রভাবে ঢোলডাঙা কজওয়ে জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রেখে পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে।

এদিকে বাঁকুড়া জেলার মানকানালি কজওয়ে অতিবৃষ্টির জেরে সম্পূর্ণ জলের তলায় চলে গিয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রশাসন সাধারণ মানুষকে কজওয়ে পারাপার না করার অনুরোধ জানিয়েছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিনও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নদীর জলস্তর আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত ত্রাণ ও উদ্ধার ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।