Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
এলারস-ড্যানলস সিনড্রোমের প্রতিটি ধরনের রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও লক্ষণ   •   এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশকে হারিয়ে নারী ক্রিকেটের ফাইনালে ভারত   •   আইএসএফের ‘খাম’ প্রতীক অন্য দলকে বরাদ্দ, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ নওশাদ সিদ্দিকীর   •   টানা ৫ দিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা! ২৮–৩০ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘট   •   বেলঘরিয়ায় স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরে সুকান্ত মজুমদার   •   রানীনগরে পুলিশের অভিযান, ১৪৫ বোতল ফেনসিডিল-সহ গ্রেফতার যুবক

DVC-এর ছাইবোঝাই ট্রাকের ধুলোয় নাজেহাল নিয়ামতপুর-চিত্তরঞ্জন রোড, জরিমানা ২ ট্রাককে

03 Aug 2026
07:37 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক - পুরুলিয়ার DVC তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন শতাধিক ছাইবোঝাই ট্রাক বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করছে। তবে এই ছাই পরিবহনকে ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে দূষণের অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, ট্রাকগুলিতে ত্রিপল দিয়ে ছাই ঢেকে রাখা হলেও নিচের অংশ দিয়ে ছাই রাস্তায় পড়ে যাচ্ছে, যার ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা ধুলো ও ছাইয়ের আস্তরণে ঢেকে যাচ্ছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ডিসেরগড় থেকে নিয়ামতপুর নিউ রোড হয়ে চিত্তরঞ্জন পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তার উপর প্রতিদিন ছাই জমে থাকছে। ভারী ট্রাক চলাচলের সময় সেই ছাই বাতাসে উড়ে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে পথচারী, বাইক ও গাড়িচালক, এমনকি রাস্তার ধারের দোকানদাররাও চরম সমস্যার মুখে পড়ছেন। অনেকের শ্বাসকষ্ট, চোখে জ্বালাপোড়া ও ধুলোজনিত শারীরিক অসুবিধার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

শুধু মানুষই নয়, রাস্তার ধারের বাড়িঘর, দোকানপাট ও গাছপালাও প্রতিদিন ছাইয়ের স্তরে ঢেকে যাচ্ছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, বর্তমান ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। তাঁদের মতে, শুধুমাত্র ত্রিপল দিয়ে ট্রাক ঢেকে রাখলেই সমস্যার সমাধান হবে না। ছাই যাতে রাস্তায় না পড়ে, তার জন্য উন্নত প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিয়মিত নজরদারি জরুরি।

এদিকে, রবিবার কুলটি থানার নিয়ামতপুর ট্রাফিক পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ছাই পরিবহনের নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে দুটি ট্রাককে জরিমানা করে। পুলিশের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে তাঁদের দাবি, মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। নিয়মিত নজরদারি, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং নিরাপদ পদ্ধতিতে ছাই পরিবহন নিশ্চিত করলেই এই দূষণ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।

এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পরিবহন সংস্থাগুলি এই অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা গ্রহণ করে কি না। কারণ স্থানীয়দের মতে, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

news home ads