Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
এলারস-ড্যানলস সিনড্রোমের প্রতিটি ধরনের রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও লক্ষণ   •   এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশকে হারিয়ে নারী ক্রিকেটের ফাইনালে ভারত   •   আইএসএফের ‘খাম’ প্রতীক অন্য দলকে বরাদ্দ, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ নওশাদ সিদ্দিকীর   •   টানা ৫ দিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা! ২৮–৩০ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘট   •   বেলঘরিয়ায় স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরে সুকান্ত মজুমদার   •   রানীনগরে পুলিশের অভিযান, ১৪৫ বোতল ফেনসিডিল-সহ গ্রেফতার যুবক

দমদম ও শ্রীরামপুরের মাহেশ বাজারে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের হানা, খতিয়ে দেখা হল বাজারদর ও মজুতদারি

02 Aug 2026
09:55 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক - কিছু সবজির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ সামনে আসতেই দমদম বাজার এবং হুগলির শ্রীরামপুরের মাহেশ বাজারে অভিযান চালাল এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (ইবি)। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, মজুতদারি এবং কালোবাজারির অভিযোগ খতিয়ে দেখেন ইবি আধিকারিকরা।

অভিযান চলাকালীন বিভিন্ন সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের খুচরো ও পাইকারি দাম যাচাই করা হয়। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মূল্যতালিকা, ক্রয়-বিক্রির নথি এবং মজুত সংক্রান্ত তথ্যও পরীক্ষা করেন আধিকারিকরা। কোথাও কৃত্রিমভাবে পণ্য মজুত করে দাম বাড়ানো হচ্ছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হয়।

এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু সবজির দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় অভিযোগের ভিত্তিতেই এই নজরদারি অভিযান চালানো হয়েছে। বাজারে যাতে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি না হয় এবং সাধারণ ক্রেতারা ন্যায্য দামে পণ্য কিনতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।

দমদম বাজারের পাশাপাশি শ্রীরামপুরের মাহেশ বাজারেও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন ইবি আধিকারিকরা। প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা করার পাশাপাশি বাজার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হয়। প্রাথমিকভাবে বাজারদর ও মজুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হলেও তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।

এদিকে, বাজারে ইবি-র উপস্থিতি ঘিরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। অনেকেই মনে করছেন, নিয়মিত এ ধরনের অভিযান চললে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি এবং কালোবাজারির প্রবণতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে নজরদারি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

news home ads