Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
এলারস-ড্যানলস সিনড্রোমের প্রতিটি ধরনের রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও লক্ষণ   •   এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশকে হারিয়ে নারী ক্রিকেটের ফাইনালে ভারত   •   আইএসএফের ‘খাম’ প্রতীক অন্য দলকে বরাদ্দ, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ নওশাদ সিদ্দিকীর   •   টানা ৫ দিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা! ২৮–৩০ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘট   •   বেলঘরিয়ায় স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরে সুকান্ত মজুমদার   •   রানীনগরে পুলিশের অভিযান, ১৪৫ বোতল ফেনসিডিল-সহ গ্রেফতার যুবক

রামপুর এমভিআই চেকপোস্টে পুলিশের তদন্ত, তবু ‘ডান্ডা ট্যাক্স’ অভিযোগ অব্যাহত! ভাইরাল অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য

27 Jul 2026
12:55 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- পশ্চিম বর্ধমানের কুলটি থানার অন্তর্গত ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের রামপুর এমভিআই (মোটর ভেহিকল ইন্সপেক্টর) চেকপোস্টে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগে দুই এমভিআই আধিকারিক গ্রেফতার হওয়ার পরও নতুন করে উঠল ‘ডান্ডা ট্যাক্স’-এর অভিযোগ। এক পণ্যবাহী গাড়ির চালকের দাবি, এখনও চেকপোস্টে অবৈধ অর্থ দাবি করা হচ্ছে। এই অভিযোগ ঘিরে এক আধিকারিক ও চালকের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তবে সেই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি (কুলটি) শেখ জাবেদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল রামপুর এমভিআই চেকপোস্টে পৌঁছায়। তদন্তকারী দলে কুলটি থানার আধিকারিক এবং চৌরঙ্গী ফাঁড়ির পুলিশও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা এমভিআই দপ্তরের নথিপত্র খতিয়ে দেখেন এবং দপ্তরের কর্মীদের সঙ্গে তদন্ত সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

তবে তদন্ত চলাকালীন এমভিআই দপ্তরের কোনও আধিকারিক সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে রাজি হননি। ফলে নতুন অভিযোগ এবং ভাইরাল অডিও নিয়ে সরকারি তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি রামপুর এমভিআই চেকপোস্টে ‘ডান্ডা ট্যাক্স’-এর নামে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগে দুই এমভিআই আধিকারিক—নাজিমুল হক এবং অনুপম বন্দ্যোপাধ্যায়—কে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা শাখা গ্রেফতার করে। পরদিন তাঁদের আসানসোল জেলা আদালতে তোলা হয়। অভিযোগ ছিল, পণ্যবাহী গাড়ির চালকদের কাছ থেকে জোর করে অর্থ আদায় করা হচ্ছিল।

এদিকে, দুই আধিকারিক গ্রেফতার হওয়ার পরও একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসায় গোটা ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ কোনও ব্যক্তি বিশেষের বিরুদ্ধে, নাকি এর সঙ্গে বৃহত্তর কোনও চক্র জড়িত রয়েছে।

ভাইরাল অডিও, নতুন অভিযোগ এবং চলমান তদন্তের সমস্ত দিক খতিয়ে দেখেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যাচ্ছে না।

news home ads