Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
পানের বরজে লাল মাকড় ও হলুদ মাকড়ের আক্রমণ, দুশ্চিন্তায় পানচাষিরা! সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে কমতে পারে ফলন   •   নারীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় কোনও আপস নয়, যৌন হিংসার ঘটনায় অপরাধীদের জবাবদিহির বার্তা অগ্নিমিত্রা পালের   •   পাণ্ডবেশ্বরের কয়লাখনিতে শ্রমিক উদ্ধারে তৎপর সিপিআই(এম), ঘটনাস্থলে জেলা সম্পাদক গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জি-সহ দলের কর্মীরা   •   মৃত ১৯ জনের আত্মার চিরশান্তি কামনা, আহত ২৫ জনের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ পরিষেবার দাবি শুভেন্দু অধিকারীর   •   বারুইপুরের ছায়া এবার গাইঘাটায়! নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের মৃত্যু পুলিশের গুলিতে, সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টার অভিযোগ   •   কালীপুজো নিয়ে আলোচনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র আমতলার সিংহির মোড়! বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি তমাল সেনাপতির অনুগামীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ

মৃত ১৯ জনের আত্মার চিরশান্তি কামনা, আহত ২৫ জনের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ পরিষেবার দাবি শুভেন্দু অধিকারীর

27 Oct 2026
07:02 AM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: মৃত ১৯ জনের আত্মার চিরশান্তি কামনা করার পাশাপাশি তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করলেন শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে আহত ২৫ জনের চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করলেন তিনি। আহতদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে বেসরকারি হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, গোটা পরিস্থিতিতে একমাত্র লক্ষ্য ছিল মানুষের প্রাণ বাঁচানো। ফলে এই ঘটনায় ব্যর্থতার প্রশ্ন তোলার কোনও অবকাশ নেই বলেই মনে করছেন তিনি।

মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের আত্মার চিরশান্তি কামনা করছেন তাঁরা। পাশাপাশি, যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, সেই সমস্ত শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকারও করেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের প্রয়োজনের সময় সহায়তা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই তাঁর বক্তব্যের তাৎপর্য।

আহতদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ পরিষেবার দাবি

আহত ২৫ জনের চিকিৎসার প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী জানান, তাঁদের চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। শুধু সরকারি হাসপাতালের উপর নির্ভর না করে, প্রয়োজন অনুযায়ী আহতদের বেসরকারি হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোনও ধরনের গাফিলতি না রেখে আহতদের সুস্থ করে তোলাই ছিল প্রধান লক্ষ্য।

এই প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, পরিস্থিতি মোকাবিলার সময় প্রশাসনিক বা অন্য কোনও ধরনের অহংবোধকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বরং আহতদের দ্রুত চিকিৎসা পরিষেবার আওতায় নিয়ে আসা এবং তাঁদের জীবন রক্ষা করাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে, মানুষের প্রাণ বাঁচানোর প্রশ্নে কোনওরকম আপস করার সুযোগ নেই।

সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে মন্তব্য

সরকারি হাসপাতালের পরিষেবার সঙ্গে বেসরকারি ও দামি হাসপাতালের পরিষেবার তুলনা টেনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁর মতে, সরকারি হাসপাতালের তুলনায় বেসরকারি ও দামি হাসপাতালগুলিতে পরিষেবা অনেক ভালো। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে গিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গেই এই মন্তব্য করেন তিনি।

তাঁর বক্তব্যের মূল সুর, চিকিৎসার ক্ষেত্রে হাসপাতালের ধরন বা অন্য কোনও বিষয়কে সামনে রেখে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। যখন মানুষের জীবন সংকটের মুখে, তখন যে জায়গায় দ্রুত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব, সেখানে চিকিৎসার সুযোগ করে দেওয়াই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচ্য বিষয়। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে বেসরকারি হাসপাতালের সাহায্য নেওয়ার বিষয়টিকে তিনি সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই ব্যাখ্যা করেছেন।

‘এখানে ইগোর কোনও প্রশ্ন নেই’

চিকিৎসার ব্যবস্থা নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এখানে ইগোর কোনও প্রশ্ন নেই। তাঁর বক্তব্য, এই পরিস্থিতিতে কে কী বলছেন, কোন হাসপাতাল সরকারি কিংবা কোনটি বেসরকারি—সেই বিতর্কের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল আহতদের জীবন রক্ষা করা।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল প্রাণ বাঁচানো। আহতদের চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বেসরকারি হাসপাতালেও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই এই গোটা প্রক্রিয়াকে ব্যর্থতা হিসেবে দেখার কোনও কারণ নেই বলেই তাঁর দাবি।

শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার

মৃত ১৯ জনের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি তাঁদের পাশে থাকার যে অঙ্গীকার শুভেন্দু অধিকারী করেছেন, তা তাঁর বক্তব্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রিয়জনকে হারানোর যন্ত্রণা কোনওভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

অন্যদিকে, আহত ২৫ জনের চিকিৎসার বিষয়টিও সমান গুরুত্ব পেয়েছে তাঁর বক্তব্যে। চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানুষের জীবন রক্ষাকেই সর্বাগ্রে রাখা হয়েছিল।

সব মিলিয়ে, মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা, শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার অঙ্গীকার এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রে রয়েছে একটি বিষয়ই—মানুষের প্রাণ বাঁচানো। সেই লক্ষ্য পূরণে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে কোনও বিভাজন বা ইগোর প্রশ্নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলেই দাবি তাঁর।