Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
বাসিরাম বাজার, নিমতলা নিউ মার্কেট ও রানীগড়-জ্যোতিষপুরের পুজোমণ্ডপে নিরাপত্তা পরিদর্শন, সুরক্ষা বৈঠকে প্রশাসনিক আধিকারিকরা   •   মন্দিরবাজার বাসস্ট্যান্ডে প্রথমবার সার্বজনীন দুর্গাপুজো, সাবেকি আয়োজনেই মাতোয়ারা এলাকাবাসী   •   আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত সূচনা, নজর কাড়ছেন ভারতের অলরাউন্ডার নিকি প্রসাদ   •   নেপালের বিরুদ্ধে ওমানের জার্সিতে শাহ ফয়সালের নজরকাড়া পারফরম্যান্স, কেরিয়ারে প্রথমবার ওয়ানডেতে পাঁচ উইকেট   •   গোসাবার সোনারগাঁওয়ে দুর্গা দেওয়ানী নদীর বাঁধে দেড়শো ফুট ধস, আতঙ্কে এলাকাবাসী! যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু মেরামতির কাজ   •   ঐতিহ্য ও ভক্তির আবহে হরিরামপুর ঠাকুরবাড়ির ১৯৫তম মহাষ্টমী পুজো, শুভেচ্ছা জানালেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী

ঐতিহ্য ও ভক্তির আবহে হরিরামপুর ঠাকুরবাড়ির ১৯৫তম মহাষ্টমী পুজো, শুভেচ্ছা জানালেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী

19 Oct 2026
09:09 AM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  ঐতিহ্য, ভক্তি ও আধ্যাত্মিকতার পবিত্র আবহে পালিত হচ্ছে হরিরামপুর ঠাকুরবাড়ির ১৯৫তম বার্ষিক দুর্গাপুজোর মহাষ্টমী। দীর্ঘ প্রায় দুই শতাব্দীর ঐতিহ্য বহনকারী এই পুজোকে কেন্দ্র করে ভক্তি ও উৎসবের আবহে মেতে উঠেছেন পুজোর সঙ্গে যুক্ত মানুষজন। মহাষ্টমীর এই শুভক্ষণে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী।

মহাষ্টমী দুর্গাপুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনকে ঘিরে বাঙালির ধর্মীয় আবেগ, নিষ্ঠা এবং আধ্যাত্মিক অনুভূতি বিশেষভাবে প্রকাশ পায়। অঞ্জলি, পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন এবং দেবী দুর্গার আরাধনার মধ্য দিয়ে ভক্তরা মায়ের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। হরিরামপুর ঠাকুরবাড়ির ১৯৫তম বার্ষিক পুজো সেই ধর্মীয় আবেগের পাশাপাশি বাংলার দীর্ঘদিনের পুজো-ঐতিহ্যকেও স্মরণ করিয়ে দেয়।

১৯৫ বছরের ঐতিহ্য, ভক্তি ও আধ্যাত্মিকতার মেলবন্ধন

বাংলার বনেদি বাড়ি ও ঐতিহ্যবাহী ঠাকুরবাড়ির দুর্গাপুজোগুলি শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এগুলি স্থানীয় ইতিহাস, সামাজিক সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক পরম্পরারও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বছরের পর বছর ধরে চলে আসা এই পুজোগুলির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বহু মানুষের আবেগ, স্মৃতি এবং পারিবারিক ঐতিহ্য।

হরিরামপুর ঠাকুরবাড়ির ১৯৫তম বার্ষিক দুর্গাপুজোও সেই ধারাবাহিকতার প্রতীক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে দুর্গার আরাধনাকে ঘিরে যে ভক্তি ও নিষ্ঠার পরিবেশ গড়ে ওঠে, তা একটি এলাকার সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে সমৃদ্ধ করে। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যকে সামনে রেখে মহাষ্টমীর পুজো তাই ভক্তদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

তবে এই পুজোর সূচনাকাল, প্রতিষ্ঠাতা পরিবার এবং প্রাচীন রীতিনীতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

মহাষ্টমীর শুভেচ্ছা অমিতাভ চক্রবর্তীর

হরিরামপুর ঠাকুরবাড়ির ১৯৫তম বার্ষিক দুর্গাপুজোর মহাষ্টমী উপলক্ষে অমিতাভ চক্রবর্তী সকলের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেছেন। তাঁর শুভেচ্ছাবার্তায় উঠে এসেছে মা দুর্গার আশীর্বাদে মানুষের জীবন সুন্দর ও কল্যাণময় হয়ে ওঠার প্রার্থনা।

ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) হিসেবে অমিতাভ চক্রবর্তীর এই শুভেচ্ছাবার্তা দুর্গাপুজোর উৎসবমুখর পরিবেশে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধার বার্তা বহন করছে।

মহাষ্টমীর মতো পবিত্র দিনে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শুভকামনার পরিবেশ আরও দৃঢ় হয়। দুর্গাপুজো বাংলার মানুষের কাছে এমনই এক উৎসব, যেখানে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সামাজিক মিলন ও আনন্দের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

মা দুর্গার আশীর্বাদে সকলের জীবন হোক মঙ্গলময়

দুর্গাপুজো বাঙালির অন্যতম প্রধান উৎসব। মহাষ্টমীর অঞ্জলি থেকে সন্ধিপুজোর বিশেষ মুহূর্ত—প্রতিটি আচারেই রয়েছে গভীর ধর্মীয় তাৎপর্য। ভক্তরা দেবী দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেন পরিবারের সুস্থতা, জীবনে শান্তি, কর্মক্ষেত্রে সাফল্য এবং সমাজের সার্বিক কল্যাণের জন্য।

হরিরামপুর ঠাকুরবাড়ির ১৯৫তম বার্ষিক মহাষ্টমী পুজো উপলক্ষে সেই প্রার্থনাই আরও একবার সামনে এসেছে। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেবীর আরাধনা করার মধ্য দিয়ে উৎসবের মূল বার্তা—শুভশক্তির জয়, মানুষের কল্যাণ এবং অশুভের বিনাশ—স্মরণ করা হচ্ছে।

বাংলার ঐতিহ্য রক্ষায় উৎসবের গুরুত্ব

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে দুর্গাপুজোর আয়োজনেও এসেছে নানা পরিবর্তন। আধুনিক আলোকসজ্জা, থিমের মণ্ডপ এবং বড় আকারের উৎসবের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী ঠাকুরবাড়ির পুজোগুলিও নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় ধরে রেখেছে। এই ধরনের পুজো অতীতের সঙ্গে বর্তমানের যোগসূত্র তৈরি করে এবং নতুন প্রজন্মকে বাংলার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ দেয়।

হরিরামপুর ঠাকুরবাড়ির ১৯৫তম বার্ষিক দুর্গাপুজোর মহাষ্টমী তাই কেবল একটি পুজোর দিন নয়; এটি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, ভক্তি এবং আধ্যাত্মিকতার ধারাবাহিকতাকে স্মরণ করারও উপলক্ষ।

মহাষ্টমীর এই পবিত্র দিনে অমিতাভ চক্রবর্তীর শুভেচ্ছাবার্তার মূল সুর—মা দুর্গার আশীর্বাদে সকলের জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল প্রতিষ্ঠিত হোক।

শুভ মহাষ্টমী। মা দুর্গার আশীর্বাদে সকলের জীবন আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক।