নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ নথিভুক্ত করা নিজের ভিন্নমতের প্রসঙ্গ ফের সামনে আনলেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর বক্তব্য, বিরোধী পক্ষের মতামত যদি শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
২০২৪ সালের ১৪ মার্চ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রী-নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের নির্বাচনী কমিটির বৈঠকে তৎকালীন বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। ওই বৈঠকে জ্ঞানেশ কুমার এবং সুখবীর সিং সান্ধুকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। অধীর চৌধুরী প্রক্রিয়াটি নিয়ে আপত্তি জানিয়ে লিখিত dissent বা ভিন্নমত নথিভুক্ত করেছিলেন।
অধীরের অভিযোগ ছিল, নির্বাচনের জন্য যে ছয়জনের নাম চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা হয়েছিল, সেই তালিকা বৈঠক শুরুর মাত্র ৮–১০ মিনিট আগে তাঁর হাতে দেওয়া হয়। তাঁর বক্তব্য ছিল, এত অল্প সময়ে প্রার্থীদের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক রেকর্ড যাচাই করে informed decision নেওয়া সম্ভব নয়।
অন্যদিকে, কেন্দ্রের পক্ষ থেকে পরে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছিল, ১৩ মার্চ অধীর চৌধুরীকে বিবেচনাধীন প্রার্থীদের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছিল এবং ছয়জনের shortlist সার্চ কমিটি ১৪ মার্চ প্রক্রিয়া শেষ করার পরই নির্বাচন কমিটির কাছে আসে। সরকারের দাবি ছিল, আইন অনুযায়ী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
বর্তমানে অধীর রঞ্জন চৌধুরী ফের সেই ২০২৪ সালের ভিন্নমতের প্রসঙ্গ তুলে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিরোধী পক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্যে মূলত স্বচ্ছতা, প্রক্রিয়াগত অংশগ্রহণ এবং নির্বাচন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতার বিষয়গুলি সামনে এসেছে।