নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর তার প্রভাব পড়েছে দলীয় প্রচারসামগ্রীর ব্যবসাতেও। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে প্রতীক সংক্রান্ত এই অনিশ্চয়তায় হাওড়ার এক পতাকা ব্যবসায়ী বিপাকে পড়েছেন।
ব্যবসায়ী রাজু হালদারের দাবি, উপনির্বাচন এবং সম্ভাব্য পুরভোটের কথা মাথায় রেখে তিনি প্রায় দেড় লাখ তৃণমূলের পতাকা মজুত করেছিলেন। সেই পতাকাগুলিতে দলের পরিচিত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে প্রতীকটি ফ্রিজ হওয়ায় ওই মজুত পতাকা কীভাবে এবং কবে বিক্রি করা যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, তৃণমূলের দুই পক্ষই আপাতত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং সংরক্ষিত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। কমিশন উপনির্বাচনের জন্য দুই পক্ষকে পৃথক নাম ও প্রতীকও বরাদ্দ করেছে।
ফলে রাজনৈতিক প্রতীক ঘিরে তৈরি হওয়া এই আইনি ও সাংগঠনিক জটিলতার প্রভাব শুধু নির্বাচনী রাজনীতিতেই নয়, দলীয় প্রচারসামগ্রীর ব্যবসাতেও পড়তে শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য। রাজু হালদারের মতো ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে মজুত থাকা পতাকার ভবিষ্যৎ বিক্রি এবং আর্থিক ক্ষতির বিষয়টিই এখন বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। ফলে ‘জোড়াফুল’ প্রতীকের ভবিষ্যৎ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার দিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।