নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে স্ন্যাকস বা জলখাবারের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও চিনি-সমৃদ্ধ খাবারের পরিবর্তে পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া উপকারী হতে পারে।
বেরি জাতীয় ফল, চিয়া সিড, কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার, শিম বা বিনস, অ্যাভোকাডো এবং বিভিন্ন ধরনের বাদাম স্বাস্থ্যকর জলখাবারের বিকল্প হতে পারে। এসব খাবারের মধ্যে থাকা ফাইবার, উদ্ভিজ্জ প্রোটিন এবং অসম্পৃক্ত ফ্যাট সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।
চিয়া সিড ও বিনসের মতো খাবারে খাদ্যতালিকাগত ফাইবার রয়েছে। অন্যদিকে বাদাম ও অ্যাভোকাডোয় রয়েছে স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত ফ্যাট। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় উপযুক্ত পরিমাণে এসব খাবার রাখলে হৃদ্স্বাস্থ্যবান্ধব খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য হতে পারে।
তবে শুধু একটি বা দুটি খাবার খেলেই কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যাবে—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। মোট খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং অতিরিক্ত তেল-চর্বি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
যাঁদের কোলেস্টেরল বেশি, তাঁরা ব্যক্তিগত শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যতালিকা তৈরি করতে পারেন। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত কোলেস্টেরল পরীক্ষা করাও জরুরি।