Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
বিয়ের আগে বিশেষ আয়োজন! প্রথমবার হবু বরের সঙ্গে যুগলে আইবুড়ো ভাত খেলেন অভিনেত্রী শ্রুতি, বিয়ের প্রস্তুতি ঘিরে অনুরাগীদের মধ্যে বাড়ছে কৌতূহল   •   পার্ক সার্কাস ও এন্টালির ৬৫ ও ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডে জল জমা ও নিকাশি সমস্যা পরিদর্শনে অগ্নিমিত্রা পল, সরকারি ড্রেন দখল ও বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ   •   বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, পরিবারকে নিয়ে নরেন্দ্র মোদীর স্নেহ ও আন্তরিকতায় আপ্লুত ক্রিকেট তারকা   •   SUDA-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল, নগর পরিকাঠামো ও নাগরিক পরিষেবার উন্নয়নে একাধিক বিষয়ে আলোচনা   •   ৬৮ পল্লী সর্বজনীন কালীপুজোর শুভ উদ্বোধনে নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল, অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ   •   কালীপুজোয় বৃষ্টির ভ্রুকুটি নেই, পরিষ্কার আকাশেই উৎসবের আনন্দে মাতবে বাংলা! ভোরে নামতে পারে তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রিতে

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে জলখাবারে রাখতে পারেন বেরি, চিয়া সিড ও বাদাম

21 Sep 2026
12:30 PM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে স্ন্যাকস বা জলখাবারের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও চিনি-সমৃদ্ধ খাবারের পরিবর্তে পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া উপকারী হতে পারে।

বেরি জাতীয় ফল, চিয়া সিড, কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার, শিম বা বিনস, অ্যাভোকাডো এবং বিভিন্ন ধরনের বাদাম স্বাস্থ্যকর জলখাবারের বিকল্প হতে পারে। এসব খাবারের মধ্যে থাকা ফাইবার, উদ্ভিজ্জ প্রোটিন এবং অসম্পৃক্ত ফ্যাট সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।

চিয়া সিড ও বিনসের মতো খাবারে খাদ্যতালিকাগত ফাইবার রয়েছে। অন্যদিকে বাদাম ও অ্যাভোকাডোয় রয়েছে স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত ফ্যাট। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় উপযুক্ত পরিমাণে এসব খাবার রাখলে হৃদ্‌স্বাস্থ্যবান্ধব খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য হতে পারে।

তবে শুধু একটি বা দুটি খাবার খেলেই কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যাবে—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। মোট খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং অতিরিক্ত তেল-চর্বি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

যাঁদের কোলেস্টেরল বেশি, তাঁরা ব্যক্তিগত শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যতালিকা তৈরি করতে পারেন। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত কোলেস্টেরল পরীক্ষা করাও জরুরি।