Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
বিয়ের আগে বিশেষ আয়োজন! প্রথমবার হবু বরের সঙ্গে যুগলে আইবুড়ো ভাত খেলেন অভিনেত্রী শ্রুতি, বিয়ের প্রস্তুতি ঘিরে অনুরাগীদের মধ্যে বাড়ছে কৌতূহল   •   পার্ক সার্কাস ও এন্টালির ৬৫ ও ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডে জল জমা ও নিকাশি সমস্যা পরিদর্শনে অগ্নিমিত্রা পল, সরকারি ড্রেন দখল ও বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ   •   বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, পরিবারকে নিয়ে নরেন্দ্র মোদীর স্নেহ ও আন্তরিকতায় আপ্লুত ক্রিকেট তারকা   •   SUDA-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল, নগর পরিকাঠামো ও নাগরিক পরিষেবার উন্নয়নে একাধিক বিষয়ে আলোচনা   •   ৬৮ পল্লী সর্বজনীন কালীপুজোর শুভ উদ্বোধনে নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল, অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ   •   কালীপুজোয় বৃষ্টির ভ্রুকুটি নেই, পরিষ্কার আকাশেই উৎসবের আনন্দে মাতবে বাংলা! ভোরে নামতে পারে তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রিতে

উন্নত জাতের বীজ, সার ও কীটনাশকের ব্যবহার সত্ত্বেও ফলন নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

21 Sep 2026
06:09 AM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: কৃষিক্ষেত্রে বেশি ফলনের আশায় অনেক কৃষক উন্নত জাতের বীজের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করেন। স্বরাজ, মায়ার, শিখর, স্বরাজ ৫১০-এর মতো বিভিন্ন জাতের বীজ ব্যবহার করে প্রতি একক জমিতে প্রায় ৫০ কেজি পর্যন্ত বীজ বপনের নজিরও রয়েছে। পাশাপাশি ইউরিয়া, ডিএপি (DAP), জিঙ্ক, সালফার এবং বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক প্রয়োগ করা হয় বলে কৃষকদের একাংশের দাবি।

তবে এত পরিমাণ কৃষি উপকরণ ব্যবহারের পরও প্রত্যাশিত মাত্রায় গাছের বৃদ্ধি, শিকড়ের বিকাশ কিংবা ফল ও শুঁটি ধরার ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন কিছু কৃষক। তাঁদের বক্তব্য, শুধুমাত্র বেশি পরিমাণে বীজ, সার ও কীটনাশক ব্যবহার করলেই যে ফসলের উৎপাদন কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

অন্যদিকে, কিছু কৃষকের দাবি, তাঁরা তুলনামূলকভাবে কম বীজ ব্যবহার করে এবং বাজার থেকে অতিরিক্ত কৃষি উপকরণ না কিনেও ভালো গাছের বৃদ্ধি দেখতে পেয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁরা কখনও ২০ কেজির বেশি বীজ ব্যবহার করেননি এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে চাষ করেছেন।

এই পরিস্থিতিতে চাষের পদ্ধতি, বীজের পরিমাণ, মাটির গুণমান, সার ব্যবস্থাপনা, সেচ এবং রোগ-পোকার নিয়ন্ত্রণ—ফসলের সামগ্রিক বৃদ্ধিতে কোন বিষয় কতটা প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে কৃষকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে একটি বা কয়েকটি গাছের বৃদ্ধি দেখে পুরো জমির ফলন বা কোনও নির্দিষ্ট কৃষি পদ্ধতির কার্যকারিতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক নয়। কৃষিবিজ্ঞানীদের মতে, মাটির স্বাস্থ্য, আবহাওয়া, বীজের গুণমান, বপনের ঘনত্ব এবং সুষম পুষ্টি ব্যবস্থাপনা—সবকিছুর উপরই ফসলের ফলন নির্ভর করে।

ফলে কম খরচে উন্নত ফলন পাওয়ার দাবি যাচাই করতে হলে একই জমি ও একই পরিবেশে বৈজ্ঞানিকভাবে তুলনামূলক চাষ এবং ফলনের হিসাব প্রয়োজন। কৃষকদের মধ্যেও এখন সঠিক বীজের পরিমাণ, সুষম সার প্রয়োগ এবং মাটির প্রয়োজন অনুযায়ী কৃষি উপকরণ ব্যবহারের বিষয়ে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।