Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
কৃষ্ণপুরে পান্তা উৎসব, উপস্থিত পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ   •   তৃতীয় দিনের পরিদর্শনে Quest Mall সংলগ্ন এলাকায় অগ্নিমিত্রা পাল, নজরে বেআইনি পার্কিং   •   প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে এসপ্ল্যানেডে ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’, উপস্থিত শমীক ভট্টাচার্য   •   আয়ুষ্মান ও বিশ্বকর্মা নিয়ে সুভেন্দুর কড়া বার্তা, ‘যাঁরা সুবিধা নিতে দেননি, তাঁদের পরিবর্তন করেছে মানুষ   •   ৭ অক্টোবর মোদীর ২৫ বছর পূর্তি, প্রতিটি জেলায় সুবিশাল কর্মসূচি: সুভেন্দু অধিকারী   •   মন্দিরবাজার থানায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে প্রদীপ প্রজ্বলন

আয়ুষ্মান ও বিশ্বকর্মা নিয়ে সুভেন্দুর কড়া বার্তা, ‘যাঁরা সুবিধা নিতে দেননি, তাঁদের পরিবর্তন করেছে মানুষ

18 Sep 2026
08:39 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে ফের সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী সুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, অতীতে পশ্চিমবঙ্গ-সহ কয়েকটি রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধা তৈরি করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনার আনুষ্ঠানিক সূচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই প্রসঙ্গ তোলেন।

সুভেন্দু অধিকারীর দাবি, “আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও প্রথমে তিনটি রাজ্যে বাস্তবায়িত হয়নি—দিল্লি, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে। এই তিন রাজ্যেই পরিবর্তন এসেছে। মানুষই সেই পরিবর্তন নিয়ে এসেছে।” তবে সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দিল্লি ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে এবং ওড়িশা ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় যুক্ত হয়। পশ্চিমবঙ্গ ২০২৬ সালে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি করে।

প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা নিয়েও পূর্ববর্তী সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গের প্রকৃত বিশ্বকর্মারা এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। সুভেন্দুর বক্তব্য, “পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার সুবিধা যাঁরা পশ্চিমবঙ্গের প্রকৃত বিশ্বকর্মাদের নিতে দেননি, তাঁদেরও প্রকৃত বিশ্বকর্মারাই পরিবর্তন করে দিয়েছেন।” এই বক্তব্যে তিনি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়নকে যুক্ত করেন।

রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনায় কাঠমিস্ত্রি, কামার, স্বর্ণকার, কুমোর, মুচি-সহ নির্দিষ্ট ১৮টি ঐতিহ্যবাহী পেশার কারিগর ও শিল্পীরা বিভিন্ন সহায়তা পেতে পারেন। এর মধ্যে প্রশিক্ষণ, টুলকিট সহায়তা, বিপণন সহায়তা এবং জামানতবিহীন ঋণের মতো সুবিধা রয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ ২০২৬ সালে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে দেশের ৩৬তম রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনার ক্ষেত্রেও রাজ্যে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে বর্তমান সরকার।

কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াকে আগামী দিনে রাজ্য সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরেছেন সুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়নকে তিনি পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক পরিবর্তনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন।

news home ads