প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল দেশের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বার্ধক্যে নিয়মিত আয়ের একটি নিরাপদ ব্যবস্থা তৈরি করা। কৃষকদের কর্মজীবন পরবর্তী সময়ে আর্থিক নির্ভরতা কমিয়ে তাঁদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে ২৪.৯৬ লক্ষেরও বেশি কৃষক PM-KMY-তে নাম নথিভুক্ত করেছেন। ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও প্রচারের কাজে মোট ৫৪০.৬৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, পেনশন তহবিলে কৃষকের জমা দেওয়া অর্থের সমপরিমাণ অর্থ সরকারও সহায়তা হিসেবে প্রদান করে। ফলে কৃষকের ভবিষ্যৎ পেনশন সুরক্ষায় সরকারি অংশীদারিত্ব তৈরি হয়।
এছাড়াও প্রকল্পের নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে কোনও গ্রাহকের মৃত্যু হলে তাঁর জীবনসঙ্গী বা সঙ্গিনীকে মূল পেনশনের ৫০ শতাংশ পারিবারিক পেনশন দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। এর ফলে শুধু কৃষকই নন, তাঁর পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টিও প্রকল্পের আওতায় গুরুত্ব পেয়েছে।
সাত বছর পূর্তিতে PM-KMY-কে কেন্দ্র করে কৃষকদের বার্ধক্যে আর্থিক নিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের আরও বেশি সংখ্যায় এই ধরনের সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় আনার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।