Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
এলারস-ড্যানলস সিনড্রোমের প্রতিটি ধরনের রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও লক্ষণ   •   এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশকে হারিয়ে নারী ক্রিকেটের ফাইনালে ভারত   •   আইএসএফের ‘খাম’ প্রতীক অন্য দলকে বরাদ্দ, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ নওশাদ সিদ্দিকীর   •   টানা ৫ দিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা! ২৮–৩০ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘট   •   বেলঘরিয়ায় স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরে সুকান্ত মজুমদার   •   রানীনগরে পুলিশের অভিযান, ১৪৫ বোতল ফেনসিডিল-সহ গ্রেফতার যুবক

বিধানসভায় পাস ‘গুন্ডাদমন’ বিল, হিংসায় জিরো টলারেন্স বার্তা রাজ্যের — শঙ্খ-উলুধ্বনিতে স্বাগত মহিলাদের

30 Jun 2026
06:42 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- কলকাতা: আন্দোলনের নামে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ কিংবা সাধারণ মানুষের সম্পত্তির ক্ষতি আর বরদাস্ত করা হবে না — বিধানসভায় ‘গুন্ডাদমন’ বিল পাস করিয়ে এমনই কড়া বার্তা দিল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, হিংসা ও তাণ্ডবের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা। প্রয়োজনে অভিযুক্তদের সম্পত্তি বিক্রি করেই ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে।

নতুন এই বিলে বলা হয়েছে, আন্দোলন বা রাজনৈতিক অশান্তির নামে সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি নষ্ট হলে দায়ীদের কাছ থেকেই ক্ষতির টাকা আদায় করা হবে। পাশাপাশি, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সন্দেহভাজন দুষ্কৃতীদের এক বছর পর্যন্ত আটক রাখার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। রাজ্যের দাবি, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

বিল পাস হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। মালদহ ও ফলতা এলাকায় বহু মহিলা শঙ্খ ও উলুধ্বনি দিয়ে এই বিলকে স্বাগত জানান। তাঁদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় দুষ্কৃতীদের দাপট, হুমকি ও রাজনৈতিক সন্ত্রাসের পরিবেশে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে ছিলেন। নতুন আইন কার্যকর হলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে বলেই আশা তাঁদের।

ফলতার বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেন, তৃণমূল জমানায় জাহাঙ্গির খান নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির হুমকি ও দাপটে বহু মানুষ ভীত ছিলেন। গুন্ডাদমন বিল পাস হওয়ায় এলাকার মা-বোনেদের মধ্যে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।

বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, রাজ্যে আর কোনওভাবেই হিংসা বা সন্ত্রাস বরদাস্ত করা হবে না। আইন ভাঙলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং প্রশাসনকে আরও সক্রিয় করা হবে। অন্যদিকে বিরোধীদের একাংশের দাবি, এই বিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অস্ত্র হিসেবেও ব্যবহার হতে পারে। যদিও সরকার সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বিল আগামী দিনে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা এবং রাজনৈতিক আন্দোলনের চরিত্রে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

 

news home ads