কুলটিতে আজ থেকে শুরু হলো ‘জনতার দরবার’, মন্ত্রী ডাঃ অজয় কুমার পোদ্দারের উদ্যোগ
- জেলার সেনাপতি | Jun 09, 2026
নিজস্ব প্রতিনিধি ,জেলার বার্তা ডেস্ক - পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের কুলটি বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী ডাঃ অজয় কুমার পোদ্দার মন্ত্রীত্ব পাওয়ার পর আজ থেকে শুরু করলেন ‘জনতার দরবার’। কুলটি থানা সংলগ্ন বিধায়ক কার্যালয়ে আজ দুপুর ১২টা থেকে এই কর্মসূচির সূচনা হয়। এদিন মন্ত্রী নিজে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের নানা সমস্যা ও অসুবিধার কথা শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন বলে জানা গিয়েছে।
মন্ত্রী হলেও চিকিৎসক পরিচয়েই আজও মানুষের পাশে রয়েছেন ডাঃ অজয় পোদ্দার। একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি মানুষের সেবা করে আসছেন। পরবর্তীকালে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে ২০২১ সালে কুলটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি পুনর্নির্বাচিত হন এবং বর্তমানে রাজ্য সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
.jpeg)
নিজস্ব চিত্র
মন্ত্রীত্ব, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি ভোলেননি তাঁর মূল পরিচয়—চিকিৎসক। আজও কুলটিতে থাকলে নিয়মিত নিজের চেম্বারে বসে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। তাঁর এই উদ্যোগে বিশেষভাবে উপকৃত হন এলাকার বহু দুস্থ ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষ, যারা নিয়মিত চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা সমস্যার সম্মুখীন হন।
রাজনীতির ময়দানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করলেও চিকিৎসা পেশার প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা এতটুকুও কমেনি। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ভরসা নিয়ে তাঁর কাছে আসেন। রোগমুক্তির আশায় তাঁরা যেমন চিকিৎসা নেন, তেমনই পান আন্তরিক পরামর্শ ও মানসিক সাহচর্য।
ডাঃ অজয় পোদ্দার বলেন, “আমি একজন চিকিৎসক। মানুষের চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করাই আমার মূল ধর্ম। বিধায়ক এবং মন্ত্রী হিসেবে মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়েছি ঠিকই, কিন্তু যে পেশার সঙ্গে আমি বহু বছর ধরে যুক্ত, তা ছেড়ে থাকতে পারিনি। চিকিৎসার মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ হয়। বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি নিয়ে মানুষ আমার কাছে আসেন। বিশেষ করে যাঁরা আর্থিক কারণে চিকিৎসার অভাব বোধ করেন, তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করি সবসময়।
রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে একজন চিকিৎসক হিসেবে মানুষের পাশে থাকার এই মানসিকতা ডাঃ অজয় পোদ্দারকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও বেশি করে আপন করে তুলেছে। জনসেবার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার এই অনন্য দৃষ্টান্ত নিঃসন্দেহে সমাজের কাছে এক ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।
